Welcome To The Universe Of Mathematics
Make the world happy with your smile, good ideas and logic... keep the universe safe...
This is a non-profitable non-commercial website.
Twinkle Twinkle Little Star.mp3
What is our aim?
Every person in this universe has special abilities as well as deformities in life...Let the world play with limitless joy, breath fresh air inside the peaceful cultural world... by sharing your unique ideas, realization, wisdom, intelligence and the true power inside you, by spreading your helping hands...
You can share your new Mathematical ideas, you can know about some Mathematical softwares, and connect the social peaceful world.
The aim is simple:
Know the history and enrich your knowledge... Take the help of things created by others, and help others by your creative minds and works...Finally apply your motivational works in good something for the safe and better universe and be helped by the works of other people...
You can share your new Mathematical ideas and discuss about any topic.
Write to us about Memoir
You can know about some Mathematical softwares
Example:1. We know that primes are infinite.
The sequence of primes are not found till now.
You can research about it.
Example:2 ARTIFICIAL INTELLIGENCE: You can research about Bengali OCR, Speech to Text, Individual Face detection among crowd, Speech to auto text, Text to Speech, Hand Writing Recognition, Draw and input Mathematical Expression, Detect a bird's voice among a crowd, Form processing, Detection of source/position of vibration and sounds, Face Recognition Technology,Self driving Ambulance etc.
Some Geniuses with Beautiful Minds

NETAJI SUBHASH CHANDRA BOSE

PASTEUR

Vidyasagar

Vivekananda
Some Indian Geniuses

Sushruta
Sushruta was an ancient Indian physician, known as the main author of Suśruta-saṃhitā (ca. 600 BCE). The Mahabharata, an ancient Indian epic text, represents him as a son of Rishi Vishvamitra, which coincides with the present recension of Sushruta Samhita which is one of the most important surviving ancient treatises on medicine and is considered a foundational text of Ayurveda.The Compendium of Suśruta locates its author in Varanasi.
The Suśruta-saṃhitā, in its extant form, in 184 chapters contains descriptions of 1,120 illnesses, 700 medicinal plants, 64 preparations from mineral sources and 57 preparations based on animal sources. The text discusses surgical techniques of making incisions, probing, extraction of foreign bodies, alkali and thermal cauterization, tooth extraction, excisions, and trocars for draining abscess, draining hydrocele and ascitic fluid, removal of the prostate gland, urethral stricture dilatation, vesicolithotomy, hernia surgery, caesarian section, management of haemorrhoids, fistulae, laparotomy and management of intestinal obstruction, perforated intestines and accidental perforation of the abdomen with protrusion of omentum and the principles of fracture management, viz., traction, manipulation, apposition and stabilization including some measures of rehabilitation and fitting of prosthetic. It enumerates six types of dislocations, twelve varieties of fractures, and classification of the bones and their reaction to the injuries, and gives a classification of eye diseases including cataract surgery.

Charaka
Charaka was an wandering scholar and physician According to Charaka, health and disease are not predetermined and life may be prolonged by human effort and attention to lifestyle. Charaka seems to have been an early proponent of "prevention is better than cure" doctrine. The following statement is attributed to Acharya Charaka:
A physician who fails to enter the body of a patient with the lamp of knowledge and understanding can never treat diseases. He should first study all the factors, including environment, which influence a patient's disease, and then prescribe treatment. It is more important to prevent the occurrence of disease than to seek a cure.
Charaka contributions to the fields of physiology, etiology and embryology have been recognised.
Charaka is generally considered as the first physician to present the concept of digestion, metabolism, immunity and Sexual problems.
A body functions because it contains three dosha or principles, namely movement (vata), transformation (pitta) and lubrication and stability (kapha). The doshas correspond to the Western classification of humors, bile, phlegm and wind. These doshas are produced when dhatus (blood, flesh and marrow) act upon the food eaten. For the same quantity of food eaten, one body, however, produces dosha in an amount different from another body. That is why one body is different from another.
Further, he stressed, illness is caused when the balance among the three doshas in a human body are disturbed. To restore the balance he prescribed medicinal drugs.He was much aware of germs in the body.
Charaka studied the anatomy of the human body and various organs. He gave 360 as the total number of bones, including teeth, present in the human body. He was right that heart is the controlling centre. He claimed that the heart was connected to the entire body through 13 main channels. Apart from these channels, there were countless other ones of varying sizes which supplied not only nutrients to various tissues but also provided passage to waste products. He also claimed that any obstruction in the main channels led to a disease or deformity in the body.
Agnivesa, under the guidance of the ancient physician Atreya, had written an encyclopedic treatise in the 8th century B.C. However, it was only when Charaka revised this treatise that it gained popularity and came to be known as Charaka Samhita. For two millennia it remained a standard work on the subject and was translated into many foreign languages, including Arabic and Latin.

Dhanvantari
The first scientist on earthAdi-Dhanvantari was Born about 3000 BC in Baranashi . His birthday is celebrated by the practitioners of Ayurveda every year, on Dhanteras, two days before Diwali, the Hindu festival of lights. It is also celebrated as National Ayurveda Day in India.The National Ayurveda Day celebrations started since 2016. A medicinal plant Dhanwantari(Cymbopogon citratus is Used for flatulence,fever,ringworm,digestive disorders, cooling belly, menstrual disorders) was named honour of him.He taught surgery and other divisions of Ayurveda.

Kanad, who first said about particle, Kana( atom, a very small particle in English)

RAMANUJAN who knew infinity
Some Mathematicians

Euler, extraordinary Mathematician
Social Workers

(লেখাটা আকারে অত্যন্ত ও আবশ্যক বড় হলেও সকলে পড়বেন বলেই আমার বিশ্বাস। না আমার লেখনীর গুণে নয়। এখানে বিক্ষিপ্তভাবে #ধর্ষণ সংক্রান্ত তথ্য ও ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বেশ কয়েকটি। ধর্ষণ সংক্রান্ত কোন কিছুর প্রতি মানুষ আগ্রহ হারায় না বলেই বিশ্বাস)
“বরুণ বিশ্বাস কে?"
কোটি টাকার প্রশ্ন। এই রাজ্যের কতজন মানুষ বরুণ বিশ্বাসকে চিনতেন রাজ চক্রবর্তীর ‘প্রলয়’ সিনেমার আগে? পরিচালক রাজ চক্রবর্তী সুঁটিয়ার বরুণ বিশ্বাসকে নিয়ে ফিল্ম বানালেন। ছবি সুপারহিট্! একজন প্রতিবাদী মানুষের কমার্শিয়ালাইজেশন খুব ভালই খেল পাবলিক। চলুন, একেবারে গোড়া থেকেই শুরু করা যাক। আজ থেকে ১৬ বছর পিছিয়ে যাব। বাম শাসিত পশ্চিমবঙ্গে গাইঘাটার সুঁটিয়াকে বলা হত ‘ধর্ষণগ্রাম।’ সুঁটিয়ার সাধারন মানুষদের কথা অনুযায়ী ওখানকার নাগবাড়ির কুখ্যাত তোলাবাজ এবং মাস্তান সুশান্ত চৌধুরীর নেতৃত্বে শুরু হয় অন্ধকার যুগ। সময়টা মোটামুটি ওই ১৯৯৯ থেকে ২০০২। সুঁটিয়া এবং তার সাথে বিষ্ণুপুর, গাজনা, কানাপুকুর, কুঁটিপাড়া, পশ্চিম বারাসাত, স্বরূপনগর এর মত কিছু জায়গায়ও সুশান্ত চৌধুরী আর তার দলবলের কোপ পড়েছিল। পুলিশ আর কিছু রাজনৈতিক নেতার হাত ছিল তার মাথায়। কাজেই সুঁটিয়া বা ওই এলাকা সংলগ্ন জায়গার মানুষজনের এই অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তির কোনো উপায় ছিল না। সুশান্ত সীমান্তে বিভিন্ন পাচারের সাথে যুক্ত ছিল। পাচার চক্র বাড়াতে হবে, নিজের একটা গ্যাং হবে - সে অনেকদিনের স্বপ্ন সুশান্তর। তা গ্যাং যে হবে, ছেলেপুলে আসবে কি স্বার্থে ঘরের খেয়ে পরের ঘর লুঠতে ? এমনিতেই এসব কাজে যেসব খানকির ছেলেরা আসে তাদের একাধিক বাপের সম্মিলিত সম্পত্তি থাকেই। আয়েশ করেই জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়। সুশান্ত টোপ ফেলল এইসব রত্নদের দলে টানার জন্য। 'টোপ' হল 'মেয়ে'। সুশান্তর দলে থাকলে ইচ্ছা মত লাগাতে পারবি। দলে আসতে থাকল একের পর এক সোনার টুকরো ছেলে। গ্যাং তৈরি হল। নাম হল - কার্গিল পার্টি। পার্টির কর্ণধার কাম্ কোষাধ্যক্ষ হল সুশান্ত, জেনারেল সেক্রেটারি বীরেশ্বর ঢালি। শোনা যায় সুশান্ত চৌধুরী তার ‘কার্গিল পার্টি’র ছেলেদের বলত, “এলাকার কোন মেয়েটাকে ভাল লাগছে বল। তুলে আন, রেপ কর। বাকিটা আমি সামলে নেব।” সিনেমার মত মনে হচ্ছে কি? হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটাই সত্যি।
একটা ঘটনার কথা বলি। পাড়ায় বিয়েবাড়ি হচ্ছে। হঠাৎ সুশান্তর দলবল এসে সেখান থেকে বছর চোদ্দোর একটা মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল। মেয়েটির অপরাধ? সে নাকি বলেছে বিয়েবাড়ির ফুচকাটা ভাল নয়। সারা রাত ধরে গণধর্ষণ করে রক্তাক্ত এবং অজ্ঞান অবস্থায় তাকে বাড়িতে ফেলে দিয়ে আসা হল। হুমকি দেওয়া হল মেয়েটির পরিবারকে, "পুলিশকে জানালেই বাড়িশুদ্ধু লোক ফিনিশ হয়ে যাবে।" তার পরের রাতে আবার তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হল মেয়েটিকে। তারপর আবার, আবার। শেষটায় মেয়েকে নিয়ে গ্রাম থেকে পালালেন মা। এমন ঘটনার সংখ্যা ১১৪ টি। পুলিশের খাতায় কলমে মোটে ৩৩ টি।
এই খেলাটাই ঘুরে গেল যখন বন্যাবিধ্বস্ত সুঁটিয়ার হাইস্কুলের মাঠে একটা ‘ফ্লাড সেন্টার’ বানানোর জন্য টাকা বরাদ্দ করল সরকার। কাজ শুরুর আগে সুশান্ত সরকারী ঠিকাদারের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দাবি করে। ঠিকাদার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপারটা সরকারকে জানান। জল অনেকদূর গড়ায়। সরকারের মুখরক্ষার খাতিরে সুশান্তর পেছনে থাকা রাজনৈতিক নেতারাই সাময়িকভাবে তাকে আত্মসমর্পন করতে বলেন। সুশান্ত জেলে গেল কয়েক মাসের জন্য। এরপর অল্প কিছু মানুষ সাহসে ভর করে তৈরী করলেন ‘প্রতিবাদী মঞ্চ।’ আসলে মানুষের অনেক দিন ধরে ভেতরে জ্বলতে থাকা আগুনগুলো বাইরে আসতে শুরু করে সুশান্ত জেলে যাওয়ার পরেই।
২৭ জুলাই, ২০০২, ‘প্রতিবাদ মঞ্চ’এর প্রথম সভায় বক্তৃতা দিতে সাহস হচ্ছিল না কারও। কারন সুশান্তর দলের অর্ধেক ছেলে তখনও জেলের বাইরে। হঠাৎই মানুষের ভীড় ঠেলে এগিয়ে এলেন একজন ছিপছিপে চেহারার যুবক। যুবকটি নাকি ডব্লুবিসিএস আর এসএসসি একই বছরে ক্লিয়ার করেছে। কিন্তু নিজের ভাবাদর্শ তরুণ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক আধিকারিকের চাকরি ছেড়ে বেছে নিয়েছে স্কুল শিক্ষকের চাকরি। মার্শাল আর্টে পারদর্শী, ক্যারাটেতে ব্ল্যাকবেল্ট, বাংলার স্যার। আবার ইছামতী নদী বাঁচাও আন্দোলনে প্রথম সারিতে থাকে। অদ্ভুত কম্বিনেশন। সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে গর্জে ওঠেন তিনি “আমরা যদি নিজেদের মা-মেয়ে-বোনেদের সম্মান রক্ষা করতে না পারি তাহলে সভ্যসমাজে থাকার যোগ্য নই আমরা। ধর্ষকদের মুখোমুখী হওয়ার সাহস না থাকলে তাদের চেয়েও বেশি শাস্তি হওয়া উচিত আমাদের।”
শয়তানদের দুর্গ কেঁপে উঠল। সেই প্রথম সামনে এলেন বরুণ। ‘প্রতিবাদী মঞ্চ’এর আন্দোলনের চাপে ধরা পড়েছিল পাঁচজন অপরাধী। একজন অভিযুক্তের হাতে নাকি বরুণ তুলে দিয়েছিলেন ‘শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত’। বলেছিলেন “জেলে বসে পড়িস।” ভাবা যায়! এই বরুণকে কিছু মানুষ চিনল তার মৃত্যুর পর। আর কিছু মানুষ চিনল এক বছর পর পেপারে লেখা পড়ে এবং আরো পরে রাজ চক্রবর্তীর সিনেমার প্রোমো দেখে। আমাদের এই পোড়া দেশে প্রকৃত মানুষেরা চিরকালই উপেক্ষিত।
বরুণ আছেন কিছু মানুষের স্মৃতিতে। তারা বানিয়েছেন বরুণ স্মৃতিরক্ষা কমিটি। আমরা যারা তাঁকে দেখিনি তাদের স্মৃতির সাথে জুড়ে আছে কিছু ধারণা ও ছাপ ৷ এই দুইটি না থাকলে স্মৃতিকে যতই ডাকা হোক না কেন, তা মাথার ওপর দিয়ে চলে যাবে৷ যাঁরা মানেন না যে স্মৃতির সাথে ধারণা ও ছাপের সম্বন্ধ আছে, তাঁরা আজ থেকে চার বছর আগে ৫ই জুলাই, ২০১৪-তে মদ-জুয়ার ঠেকের প্রতিবাদে খুন হওয়া কলেজ ছাত্র #সৌরভ_চৌধুরীকেদেখুন৷ সেভাবেই দেখুন যেভাবে ছ’বছর আগে ৫ই জুলাই গণধর্ষণের প্রতিবাদে খুন হওয়া ‘সমাজবন্ধু’ স্কুল শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে দেখেছিলেন৷
বাংলায় স্নাতকোত্তর ও বিএড ডিগ্রীধারী এক পরিমার্জিত ও প্রতিবাদী যুবক বরুণ বিশ্বাস, যে একইসাথে ডব্লুবিসিএস এবং স্কুল সার্ভিস পাশ করার পরেও এক অব্যতিক্রমী জীবন কাটাতে পারত। কিন্তু সমস্যা হল যে তাতে সে আবদ্ধ থাকত বরুণ বিশ্বাস নামে ৷ কিন্তু মিত্র ইন্সটিটিউশনের স্যার ‘প্রতিবাদী বরুণ বিশ্বাস’ হতে গেলে মৃত্যুটা বোধহয় দরকার ছিল৷ কতজন মানুষ সার্জেন্ট বাপি সেনকে চিনত ওর মৃত্যুর আগে? মৃ্ত্যু হল বলেই তো চিনল৷ সেইরকমই যতই বরুণ বিশ্বাসের নাম করা হোক না কেন, নামটা কালবৈশাখীর মতই। প্রত্যক্ষ করা যায় বছরে মাত্র দু’তিনবার। কিন্তু যখন প্রত্যক্ষ করা যায়, তখন বুক কাঁপতে বাধ্য। মাঝে মাঝে ভাবি, আর পাঁচটা ইস্কুলের মত মিত্র ইন্সটিটিউশনের বেঞ্চগুলিতে যেমন পিউবারটির হলোগ্রাম সাঁটানো প্রেমময় আঁচড় থাকে, সেইরকমই কি কেউ ‘বরুণ বিশ্বাস’ খোদাই করে রেখেছে? নিশ্চয়ই রেখেছে। নাকি ‘বরুণ বিশ্বাস’ নামটা কেবলই ফ্ল্যুকে?
১১ ই জুলাই, ২০১২, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পাতায় একটা খবর ছাপা হয়েছিল, হেডলাইনটা ছিল ‘Man who gave the poor a voice now silenced’. এতটাই ব্যঞ্জনাত্মক এই হেডলাইন , যা তাবড় তাবড় ট্র্যাজেডিকে হার মানায় ৷ কারণ, এই ট্র্যাজেডিটা কাছের বাস্তব৷ সুঁটিয়ার বাসিন্দা বরুণ বিশ্বাস এক অর্থে প্রতিবাদী ছিলেন, আবার ছিলেন না৷ বরুণ হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা যখন জেলে যাওয়ার আগে অত্যাচার চালাত, তখন বরুণের বন্ধুরা বারবার বরুণকে বলত যাতে অত্যাচারের বদলা অত্যাচারেই নেওয়া হয়। কিন্তু বরুণ রাজি হত না৷ বরুণ বুঝতে পারেন নি একজন প্রতিবাদী যতটা না মানসিকভাবে আগ্রাসী, তার থেকেও বেশি তাকে শারীরিকভাবে আগ্রাসী হতে হয়। বরুণ যত না লড়েছিল নিপীড়নকারীদের বিপক্ষে, তার চেয়ে অনেক বেশি লড়াই ছিল তার নিপীড়িতদের পক্ষে। মানুষ বরুণের বুঝতে ভুল হয়েছিল যে জানোয়ারদের বধ করার জন্য জানোয়ার হতে হয়।
যখন বরুণ সে অর্থে প্রতিবাদী হয়নি, ছিল সমাজবন্ধু। সেসময়ে সে একটি নক্সা করেছিল একটি ক্যানেলের যেটা ইছামতী ও যমুনা নদীর মিলিত জলের প্রভাবে বন্যা রোধ করতে পারে। কিন্তু তখনকার অপরিচিত বরুণ বিশ্বাসের জন্য কোনো সাহায্যের হাত আসেনি। বরুণের যখন নামডাক হল, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই ‘প্ল্যান্’ বাস্তবায়িত করা হয়েছিল। সেই শুরু, তারপর কয়েকজনের সহযোগিতায় বরুণ গড়েছিলেন ‘সুঁটিয়া গণধর্ষণ প্রতিবাদ মঞ্চ’। সে বলেছিল প্রতিবাদী মঞ্চটা নিজের মনের মধ্যেও গড়ে তুলতে হবে। উদ্যমটাই আসল। কি অপূর্ব কাকতালীয় ব্যাপার – বছর তিনেক আগে বামনগাছির প্রতিবাদী ছাত্র সৌরভ চৌধুরীর মৃ্ত্যুর স্মরণে এক সংবাদমাধ্যমের আলোচনাসভায় আমন্ত্রিত হয়েছেন এক বেদনাক্লিষ্ট গর্বিত মুখের অধিকারী - জগদীশ বিশ্বাস৷ কে এই জগদীশ বাবু? একজন বাবা, যিনি পেশায় শ্রমিক। কয়েক দশক আগে রাতে গ্রুপ থিয়েটারে গান গেয়ে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতেন ছেলের পড়াশুনার খরচ চালনোর জন্য, যাতে ছেলে মানুষের মত মানুষ হয়ে বাঁচতে পারে ৷ কিন্তু ঈশ্বর একইসাথে রক্ষাকর্তা এবং নিষ্ঠুরও বটে। তিনি সব আশা মেটান না ৷ তাই জগদীশ বাবুর ছেলে মানুষের মত মানুষ হয়েছিল এবং তার ফলস্বরূপ তাকে মরতেও হয়েছিল। ছেলে বরুণ বিশ্বাস , বাবা শ্রী জগদীশ বিশ্বাস। বাবা তার ছেলের গর্বিত ক্রিয়াকলাপের কথা শোনাচ্ছিলেন এক মৃতপ্রায় কন্ঠে৷ স্বাভাবিক। প্রায় সকলেই বরুণের আন্দোলন, গণধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রথম ধাপটা জানেন ৷ কিন্তু তার বাবার মুখে আজও যেন ঘটনাটা কালকের৷ সুঁটিয়ায় যখন গণধর্ষণ একটা ‘ট্রেন্ড’এ পরিণত হয়েছিল, তখন বরুণ একদিন সকলের হাতে লিফলেট গুঁজে গণধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। কেউ শুনেছিলেন, কেউ শোনেন নি৷ গরীবের পাশে দাঁড়ানো, ধর্ষিতা মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করা এবং তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করা, নিজের খাট দান করে নিজে প্লাস্টিকে শোয়া , অন্যের পড়াশুনার খরচ চালানো, বিভিন্ন অসুবিধা সরকারকে চিঠি মারফৎ জানানো, রাতে মানুষদের পাহারা দেওয়া প্রভৃতির নেপথ্যে বরুণ বিশ্বাস৷ সরকার আসে আর যায়, বরুণ, সৌরভ থেকে যায়৷
বরুণ যখন প্রতিবাদী মঞ্চ গড়ে তোলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, তখন শাসকবর্গের কেউ কেউ ‘শান্তিরক্ষা কমিটি’ গড়ে তোলেন বরুণকে হত্যা করার জন্য। বরুণ বিশ্বাসের জয় এখানেই৷ যেখানে বরুণ প্রতিবাদ করেছিল মুষ্টিবদ্ধ মানুষের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে, সেখানে শাসকবর্গের প্রভাবশালীরা দুষ্কৃতীদের নিয়ে লড়লেন একা বরুণ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে৷ তাতে হলটা কী দাদা? লোকে কাকে মনে রাখল? ৫ ই জুলাই সন্ধ্যায় খুনীদের কাছে যে মানুষটি বরুণকে ‘আইডেন্টিফাই’ করিয়েছিল এবং তাকে মারতে অংশগ্রহণ করেছিল, সেও খেতে পায়না বলে তার কয়েকদিন আগেই বরুণের কাছ থেকে চাল পেয়েছিল। তাতে ওর বয়েই গেল। যখন গোবরডাঙ্গা স্টেশনে বরুণ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল, তখন ‘পুলিশ কেসের’ ভয়ে কেউ এগোল না সাহায্য করতে। এরকমই হওয়া উচিত ছিল, কারণ সেখানে ‘বরুণ বিশ্বাস’ একজনই ছিল।
৫ই জুলাই, ২০১২। মিত্র ইনস্টিউশনের বাংলার শিক্ষক বরুণ কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে তাঁর মোটরসাইকেল রাখা থাকত। সেদিন নিজের বাইকে উঠে স্টার্ট দেওয়ার সাথে সাথে পেছন থেকে ছুটে আসে একটা গুলি। প্রায় আধঘন্টা ওই স্টেশনে রক্তে মাখামাখি হয়ে কাতরেছেন। কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রতিবাদী মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দার লিখেছেন, “যতক্ষন বরুণের দেহে প্রান ছিল ও বলেছিল, "আমায় বাঁচান, আমি আপনাদের বরুণ।" স্টেশন সংলগ্ন শ্রমিক সংগঠনের অফিসে ১৫ - ২০ জন সদস্য থাকা সত্ত্বেও কেউ এগিয়ে আসেনি বরুণকে বাঁচাতে। হায়রে হতভাগ্য, কাদের জন্য লড়েছিলে তুমি? মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে মনে হয়নি সুশান্ত-বীরেশ্বরদের চেয়েও ইতর অমানবিক স্বার্থপর সমাজের এই জঞ্জালগুলো? নরকের কীটের চেয়েও ঘৃণ্য এই মানুষগুলোকে দেখে বিবমিষা জাগেনি? যারা সেদিন বরুণকে সাহায্য পর্যন্ত করতে আসেনি, তারাই আবার রাত্রে বরুণের মরদেহ আঁকড়ে ‘আমাদের লোক’ বলে চেঁচিয়েছেন।
যাইহোক, কেমন আছে এখন সেই সুঁটিয়া? হত্যার বছর ঘুরে আজ ছয়৷ না থেকেও তিনি রয়েছেন স্মরণে আর হাজারো প্রশ্নে৷ যেমন - জেলে বসে বরুণকে খুনের সুপারি দিয়েছিল সুশান্ত। কিন্তু কাজটা হাসিল করার জন্য আততায়ীদের টাকা জুগিয়েছিলেন কোন গৌরী সেন? এমন অনেক প্রশ্ন আছে যা সংবাদপত্রে পড়েছি। উত্তর লেখা ছিলনা। বড় অস্পষ্ট, ধোঁয়াশাপূর্ণ। প্রশ্ন উঠেছে বরুণের বাবার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা নিয়েও। সত্যমিথ্যা জানি না। তবে প্রশ্নের তীরে দিশেহারা হয়েছেন রাজনীতির কারবারিরাও৷ অথচ রাজনীতির ধারেকাছে না ঘেঁষা মানুষটা ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পেরিয়েও সুঁটিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচিত চরিত্র৷ বরুণ বিশ্বাস৷ না থেকেও তাড়া করে বেড়াচ্ছেন সেই স্বার্থচক্রকে, জীবদ্দশাতেও যাদের অনবরত অস্বস্তিতে রেখেছিলেন৷ সব মরণ সমান যে নয়, টের পাচ্ছে ঘাতকবাহিনী৷ 'তিলে তিলে মরণেও জীবন অসংখ্য' প্রমাণ করে বরুণের উত্তরাধিকার নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে একদল মানুষ৷ প্রশ্ন তুলছে, প্রতিবাদ করছে৷ বিচার খুঁজছে৷ রাস্তায় নেমেও, সোশাল মিডিয়াতেও। না এখানে তাদের নাম নেব না৷ চিনি না, জানি না, তো তাদের নিয়ে বাড়তি কথা বলব কেন? তবে 'কিছুটা যদি বরুণের মত হতাম' স্বপ্নে বিশ্বাসী তো, তাই মানসিকভাবে তাদের পাশে আছি।
শান্তিরক্ষকরা বলছেন, এখন সুঁটিয়ার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণই আছে। আসল পরিস্থিতি কিন্তু অন্য কথা বলছে। সুঁটিয়ার পরিস্থিতি নয়। গোটা দেশের পরিস্থিতি। ধর্ষণে বিশ্বরেকর্ড। প্রতিটা ধর্ষণের পরে একটা যেন নিয়মমাফিক প্রতিবাদ হয়। তারপর যেই কি সেই। যেন একটা রুটিনমাফিক সামাজিক প্রথা চলছে। আসলে আর কোথাও বরুণ নেই যে। ফলে প্রতিবাদের বাঁধনটা আলগা হয়ে আসে। 'বরুণ বিশ্বাস' উইকিপিডিয়ায় জায়গা করে নিয়েছেন। অথচ এখনো 'জাতীয় চরিত্র' হয়ে উঠতে পারেন নি এই পল্লীগ্রামের মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবী বঙ্গসন্তান। দেশটার নাম আসলে ভারতবর্ষ তো। এখানে তো চিরকালই এরকমই হয়ে আসছে। দেখা যাক আর একজন বরুণ এগিয়ে এসে এই পোড়া দেশের হাল ধরেন কিনা। ততদিন অবধি ‘বিশ্বাস’ থাক বরুণেই।
বিশ্বাস রাখুন। বরুণ বিশ্বাস মাঝেমাঝেই মনে আসবে, আর যখন আসবে, তখন বোধহয় শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মত বরুণও বলবে ‘বাড়ি আছো?’ সাবধান, রাতের কড়া নড়তেই পারে, বরুণ বিশ্বাস কিন্তু এখনও বাইক নিয়ে ঘোরে রাতের বেলায় ৷
- #সায়ন্তন_মিত্র
নিউ ব্যারাকপুর
©️ Sayantan Mitra
My Urges
1. Donate blood,you might be donated...on the other day...
2. START OR RESUME YOUR WORK FOR ANY AUTHENTIC CREATIVITY COMING OUT FROM COMFORT ZONE.
3. Plant or help one to plant at least 5 trees.Say no to addictive drugs,alcohol,smoking,killing animals unnecessarily.Create a natural world for birds,fishes,animals,trees,children,butterfly at least for you and me...
4. আপনারা দেখবেন এই ওয়েবসাইটটির প্রথম page এ আছে hardware মানে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত... 2nd page এ software মানে ভালো শিক্ষা ও ব্যবহার...
3rd page এ আছে logic মানে ভালো মানসিকতা ও যুক্তি... যা উপরের দুটি ব্যবহার করে ভালো কাজে লাগাতে হবে... তাহলে হবে জয়(&JOY) নিশ্চয়...
5 ★★★★★
আজ স্বাধীন ভারতে প্রতিদিন প্রত্যুষে যে লোহিত বর্ণের সূর্য ওঠে তা 'কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা' ফসল... তাদের বিপ্লব ও আত্মত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে পরাধীনতার দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পেয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। ইংরেজদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করার বহু পূর্বেও আমরা স্বাধীন ছিলাম। বর্তমানে পাওয়া স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের কর্তব্য। শুধু বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করাই নয়, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধান করে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে করে আমরা সত্যিকারের মানুষের মতো, স্বাধীন ভাবে, আনন্দের সঙ্গে, সুস্থ ভাবে বাঁচতে পারি...
তার সঙ্গে অন্যকে স্বাধীন ভাবে জীবনযাপনের সুযোগ করে দিতে হবে...
উদাহরণ :
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব সম্ভবত মানুষ। বন জঙ্গল কেটে অন্যান্য প্রাণীদের হত্যা করে, তাড়িয়ে দিয়ে তাদেরকে আমরা করেছি ফরমালিনে বোতল বন্দি, চিড়িয়াখানার কয়েদি, নয় তো- ফ্রেমে বন্দি করেছি শেষ বেঁচে থাকা একমাত্র 'না-মানুষের' ফটোগ্রাফ। পৃথিবীটাকে ভাগ ভাগ করে নিজেদের যে যার বাড়ির চারিদিকে সীমানা দিয়েছি, আর স্বর্গ বা উপরের জায়গা গুলো বরাদ্দ করেছি ওদের জন্য...
এতোটা স্বাধীনতা বোধহয় আমরা পাওয়ার যোগ্য নয়... এই পৃথিবীতে মিথোজীবিতার দ্বারা বেঁচে থাকা বোধহয় আমরা ইচ্ছে করেই ভুলে গেছি...
সত্যিকারের স্বাধীনতা না দিয়ে আমরা যুদ্ধ এর জন্ম দিচ্ছি না তো !
© Biswanath Jana
6. এই হোলি ও দোলযাত্রায়...জীবন প্রাণবন্ত,আনন্দ ও খুশিতে ভরে উঠুক...হোলিতে মেতে উঠুক বসন্তের নতুন পাতা...
পরিবেশ হয়ে উঠুক স্নিগ্ধ,মনোরম,মধুর,সুসজ্জিত....
7. If money is your only final destination,then you must be blocked by the mountains of money only around you,all become dark,the doom...
8. তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব.....
এই হবু ICS officer চাকুরি ছেড়ে ব্রিটিশ অপশাসন থেকে মাতৃভুমিকে রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন...অনেকাংশে সফল হয়েছিলেন ও স্বাধীনতাকে অত্যন্ত দ্রুত ত্বরান্বিত করেছিলেন....
Salute to our NATIONAL HERO....
#Netaji_Subhas_chandra_Bose
9.
সাগরদ্বীপের জওয়ান বিশ্বজিৎ ঘোড়াই ও তাঁর অনেক সহকর্মী বন্ধু জওয়ানেরা জম্মু কাশ্মীরে উরি হামলায় শহিদ হয়েছেন....তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি...ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই....
তাঁদের এই দেশের প্রতি আত্মত্যাগ ও গভীর প্রেমকে কোটি কোটি বার সেলাম...
কোনো কোনো দেশ মহান মানুষ ও বিজ্ঞানীর জন্ম দেয়...আবার কোনো কোনো দেশ দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জঙ্গির জন্ম দেয়....
একটি সন্ত্রাসবাদী,জঙ্গি তৈরির কারখানাকে বাস্তব পৃথিবী ও ম্যাপ থেকে মুছে ফেলতেই হবে....গোটা পৃথিবী একটি জঘন্য দেশের জন্য Suffer করতে পারে না.....
পৃথিবীর ঘুম ও শান্তি কেড়ে নিতে পারে না....
পৃথিবীতে অনেক মানুষ হয়ে গেছে...
ভারতের ভালো মানবিকতার সুযোগ নিয়ে যারা ভারতের প্রতিরক্ষা ও সেনাদের উপর আঘাত হানলো তাদের সংখ্যা দ্রুত কমাতেই হবে....তাদেরকে আমার তরফ থেকে কখনোই ক্ষমা নয়...
জঙ্গিদের আঁতুড়ঘর ও উৎসস্থল এর দিকে আমাদের প্রত্যাঘাত দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে....
যারা নিজের প্রাণ বিপন্ন করে ও পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ভারতে হামলা করল তাদের জঘন্য উদ্দেশ্য রয়েছে....
মনে রাখতে হবে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এই ধরনের কাজ করে না...অন্য দেশ, জাতি ও ধর্মের উপর এইভাবে আঘাত করে না....
জঙ্গিধর্ম যাদের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের এই দুনিয়া থেকে সমূলে বিনাশ করতেই হবে....দ্রুততার সাথে...
যে কোনো রকম জঙ্গি কার্য্যকলাপ,সন্দেহজনক ঘটনার খবর দ্রুত ভারত সরকারকে গোপনে জানান...
চারিদিক সতর্ক থাকুন...
ভারতীয় সেনা ও Defense Unit কে জানাই অগুনতি কুর্নিশ....
হে ভারতের সন্তানেরা,প্রাণের দেশবাসী একত্রিত হও...
ভারতবাসী হিসেবে গর্ব প্রকাশ করুন...ভারতকে,ভারতের সংস্কৃতিকে রক্ষা করুন....
ভারত সরকারকে প্ল্যান/সহায়তা দিন আপনার মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে...
এখানে.... https://www.mygov.in
You as well as me may be the target of terrorists...from social media.
If you wish to like or share this post please do so at your own risk....
~বিশ্বনাথ জানা
10.
হাসপাতালের একটা কেবিনে দুই অসুস্থ বৃদ্ধ।
একজন বৃদ্ধ সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকেন। আরেকজন বসে থাকেন জানালার পাশে।
বিছানায় শুয়ে থাকা বুড়োটা নড়তে চড়তে পারে না। তার খুব ইচ্ছে করে জানালার পাশে গিয়ে বসতে। তার ইচ্ছে করে জানালা দিয়ে বাইরের আকাশ দেখতে, রোদ দেখতে, বৃষ্টি দেখতে, মাঠে ছেলে পেলেরা খেলছে, লোকজন হাঁটাহাটি করছে, এগুলো দেখতে। কিন্তু সে বিছানা থেকে উঠতে পারে না।
জানালের পাশে যে লোকটি থাকে, সে খুবই ভালো। সে সারাদিন জানালার পাশে বসে বসে ধারা ভাষ্য দেয়। বিছানায় শুয়ে থাকা বুড়োটাকে বলে, ভাই রে, বাইরে যা সুন্দর রোদ উঠছে। পোলাপান মাঠে ফুটবল খেলছে। জানেন ভাই, একদল দিছে সাত গোল, আরেকদল একটাও দিতে পারে না। পুরা ব্রাজিল কেস।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে লোকটা এগুলো শোনে আর হাসে।
আরেকদিন তুমুল বৃষ্টি চলছে। জানালার পাশে বসে থাকা লোকটা বলছে, ভাই রে, যে দারুন বৃষ্টি হচ্ছে। পোলাপান আজও মাঠে নামছে। এই তো, একটা পোলা এইমাত্র আছাড় খেলো। ইশশ, কি ব্যাথা পাইছে। তবু কান্ড দেখেন ভাই, পোলাডা হাসতাছে। কোনো মানে হয়?
বিছানায় শুয়ে থাকা লোকটা গল্প শোনো আর হাসে।
এইভাবে দুই বুড়োর সময় বেশ ভালই কাটছিলো।
তবে সুখের সময় কি আর চিরদিন থাকে? জানালার পাশে বসে থাকা লোকটা আচমকা একটি ঘুমের মধ্যেই মরে গেলো। আর সে জানালার পাশে বসে না।
বিছানায় শুয়ে থাকা লোকটার দিন আর কাটতে চায় না। আগে তার সারাদিন কেটে যেতো জানালার গল্প শুনে । এখন গল্প বলার কেউ নেই।
একদিন মরীয়া হয়ে সে নার্সকে বলল, আমার বিছানাটা ঠেলে জানালার পাশে নিয়ে যাও। আমি জানালা দিয়ে বাইরের আকাশ দেখবো। মাঠ দেখবো, রোদ দেখবো, বৃষ্টি দেখবো, পোলাপানের ফুটবল খেলা দেখবো।
তাকে জানালার পাশে নিয়ে যাওয়া হলো। জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দারুন ধাক্কা খেলো। জানালার সামনে কিছু নেই। একটা বড় দেয়াল। কোনো মাঠ নেই, কোনো রাস্তা নেই, এমনকি উঁচু দেয়ালটার কারণে আকাশও ঠিক মতো দেখা যায় না।
সে সিস্টারকে বলল, কি আজব ব্যাপার। জানালা দিয়ে তো কিছুই দেখা যায় না। তাহলে সেই লোকটা এত কিছু দেখতো কীভাবে?
সিস্টার অবাক হয়ে গেলো। বলল, জানালা দিয়ে কিছু দেখা গেলেও তো কোনো লাভ হতো না। কারণ জানালার পাশে যিনি ছিলেন, তিনি তো চোখেই দেখতেন না।
নিজের জীবনে অনেক দুঃখ থাকবে, কষ্ট, ক্ষোভ আর বঞ্চনা থাকবে। কিন্তু মানুষকে ক্রমাগত কেবল দুঃখের কথা শোনােবেন না। তাদেরকে আশার কথা বলুন, স্বপ্নের কথা বলুন, ভালবাসা আর মমতার কথা বলুন।
আমাদের অনেকের সামনেই দেয়াল। দেয়ালের ওপারে একটা সুন্দর পৃথিবী আছে। আমরা শুধু দেয়ালের বদনাম না করে, চলুন, সবাই সুন্দর পৃথিবীর গল্পটা অন্যদের বলি।
মানুষের জীবনে অনেক কাজ আছে। সম্ভবত মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, অন্যকে আনন্দ দেয়া।
অন্যকে একটা জিনিসই দিতে হয়, আনন্দ। কষ্টটা না হয় নিজেরই থাকুক।
Copied from Whatsapp
11.
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু এবং
প্রায় বিনামূল্যের শীতলীকারক যন্ত্র।যার প্রাণ নিয়ে নিলেও কাঁদে না এমনকি প্রতিবাদ ও করে না।একটি ১৫০ বছরের পুরনো গাছ দেখেছে, বংশানুক্রমে মানুষ কিভাবে ধীরে ধীরে বৃহত্তর খুনি হয়ে উঠেছে।নিজেদের ভাবমূর্তি রক্ষা করি আসুন।এই গরমের কথা মাথায় রেখে,গাছ লাগিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নতুন বার্তা দিই আসুন।বাস্তবের ফেসবুকে প্রকৃত বন্ধুর সংখ্যা বাড়ান।
The most trusted friend and AC for free of cost in the universe.Who never cries even never protects against his killers...One 150 year old tree sees everything how gradually we become greater killers.Try to improve our image. Remembering this hot weather, by plantation of tree give a message to the next generation.Increase number of true friends in the realNETWORK.
This is a Gumbo Limbo tree,
Source:Wikimedia
♣
"The Goal of our life is Joy"
~Dr.T G K MURTHY,SCIENTIST,ISRO,INDIA
Highly secured© Copyright Biswanath Jana